শুদ্ধাচারী হওয়ার জন্য নৈতিকতা ও কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা: ক্যারিয়ারে সাফল্যের মূল মন্ত্র

শুদ্ধাচারী হতে হলে, শুধু ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, করণীয়-বর্জনীয় সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি নয়, বরং প্রতিটি কাজ ও আচরণকে নৈতিকতার কষ্টিপাথরে যাচাই করাও একান্তভাবে প্রয়োজন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন এই নৈতিক সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৬ সাল থেকে “শিষ্টাচার কণিকা” নামক পকেট ফোল্ডার আকারে পরবর্তী একযুগে ‘শুদ্ধাচার’ বইটি প্রকাশ করেছে। শুদ্ধাচারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা। এর মাধ্যমে কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা, এবং সততা বজায় রাখতে হবে। ক্যারিয়ারে সাফল্য অর্জনের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে। প্রথমত, আপনাকে প্রতিষ্ঠানে নিজের কাজকে পবিত্র দায়িত্ব মনে করতে হবে। কাজের প্রতি ভালোবাসা এবং দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। কাজের প্রতিটি সুযোগের জন্য স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। কর্মক্ষেত্রে বিরক্তি, হতাশা বা নেতিবাচক মনোভাব পরিহার করে ইতিবাচক এবং হাসিখুশি থাকতে হবে। শুধু শিক্ষা নয়, পেশাগত জীবনে কর্মমুখী মানসিকতা এবং সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সৎ উপার্জন এবং শ্রমলব্ধ কাজের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে। কাজের মধ্যে কোনো ভুল হলে তা গোপন না করে সংশোধনের জন্য পদস্থ কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। কর্মক্ষেত্রে অল্প সময়ে অনেক কাজ করার চিন্তা বাদ দিয়ে সময়কে সঠিকভাবে পরিকল্পনা করে কাজে লাগাতে হবে। সর্বশেষে, নিজ প্রতিষ্ঠানের কাজকে নিজের কাজ ও আমানত মনে করতে হবে, এবং অন্যায়ের মাধ্যমে কোনো বাড়তি সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর, ২০২৪ এ ৬:০০ PM